রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। পরে গুলিবিদ্ধ ওই ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
Ad
নিহত ব্যক্তি খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় যে ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল টিটন তাদের অন্যতম।
জানা গেছে, শুরুতে তার পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। পরে তার আঙ্গুলের ছাপ পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ৫২ বছর বয়সী টিটন দুই দশকেরও বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারামুক্ত হন। তিনি ঢাকার রায়েরবাজার ও হাজারীবাগ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক মামলা রয়েছে।
আরও দেখুন
স্বাস্থ্য বীমা
বই (সাহিত্য, ইতিহাস, রাজনীতি)
সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন
টিটন আরেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। ইমন টিটনের ছোট বোনকে বিয়ে করেছেন। মূলত ইমনের দাপটেই তিনি অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তার করেন বলে আলোচনা আছে।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জামিন পান টিটন। কিন্তু আইনি জটিলতায় কারামুক্তি হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারাগারে আটক অনেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীর মতো তিনিও কারামুক্ত হন।
পুলিশ বলছে, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেননি। তার অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
মুন্সীগঞ্জে নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিবসহ জেলা বিএনপির ৪ নেতা পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন তারা। পদত্যাগীকারীরা জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক। পদত্যাগকারীরা হলেন— পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। ৪ জনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী বলে পরিচিত। সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্র থেকে ক্রমাগত জেলার নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। কোনো রকম কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দলীয় গঠনতন্ত্রের বাইরে এসব বহিষ্কার আদেশ। দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হলেও দলের জন্য কাজ করা শীর্ষ নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে তারেক রহমান ডাকলে তারা ফিরবে। জ...
মুন্সীগঞ্জে নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিবসহ জেলা বিএনপির ৪ নেতা পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন তারা। পদত্যাগীকারীরা জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক। পদত্যাগকারীরা হলেন— পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। ৪ জনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী বলে পরিচিত। সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্র থেকে ক্রমাগত জেলার নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। কোনো রকম কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দলীয় গঠনতন্ত্রের বাইরে এসব বহিষ্কার আদেশ। দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হলেও দলের জন্য কাজ করা শীর্ষ নেতাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে তারেক রহমান ডাকলে তারা ফিরবে। জে...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই আড়াইশ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি। কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন—এই সময়ের মধ্যে দল থেকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে; অর্থাৎ সবুজ সংকেত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এতে করে দলের কোন্দল কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তফশিলের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। নানা দিক বিবেচনায় এবার সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির শীর্ষ কয়েক নেতার আসনে কাউকে সবুজ সংকেত দেবে না বিএনপি। পাশাপাশি মিত্র দল ও জোটের কয়েক শীর্ষ নেতার আসনেও একই কৌশল নেবে দলটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসাবে সোমবার মাগুরা, চট্টগ্রাম ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের গুলশান কার্যালয়ে ডাকা হয়। তবে ঢাকা বিভাগ বাদে এখন যেসব আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের ডাকা হচ্ছে, সেগুলোর বেশির ভাগই বিরোধ আছে। মনোনয়ন কেন্দ্র করে বিরোধ মেটানোর চেষ্টা চলছে। এর আগে রোববার সিলেট বিভাগের চার জেলার মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের সঙ্গে গুলশান কার...
Comments
Post a Comment